“শাবনূরের মতো হতে চেয়েছিলাম” — তমা মির্জা
ঢালিউডে নিজের আলাদা জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন তমা মির্জা। বহুমাত্রিক অভিনয়ের জন্য ‘নদীজন’ ছবিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার পর বড় পর্দা ও ওয়েব—দুই মাধ্যমেই তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের সক্ষমতা। বিশেষ করে আফরান নিশোর সঙ্গে তার অনবদ্য রসায়ন দর্শকদের আলাদা করে ছুঁয়েছে। গত বছর মুক্তি পাওয়া ‘দাগি’ ও ওয়েব ফিল্ম ‘অমলনামা’—দুটিই এনে দিয়েছে প্রশংসা ও ভালোবাসা।
নতুন বছরের শুরুতেই তমা জানালেন, তিনি সাইন করেছেন দুটি নতুন সিনেমা। খুব শিগগিরই একটির শুটিং শুরু হবে। এবার তাকে দেখা যাবে ভিন্ন এক রূপে—চেনা গ্ল্যামার নয়, বরং নতুনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে চান তিনি।
শাবানা, কবরী, বাবিতা—এরা সবাই কিংবদন্তি। তবে তমার অভিনয়ের স্বপ্নের শুরুটা হয়েছিল শাবনূরকে দেখে। ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘চার সতীনের ঘর’, ‘মোল্লাবাড়ির বউ’, ‘কে অপরাধী’—এই ছবিগুলোই তাকে অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিল। পরিবারের পরামর্শ ছিল একটি ছবি করলেই যথেষ্ট। কিন্তু তমা থামেননি। নিজের ভেতরের তৃপ্তির খোঁজে তিনি একের পর এক কাজ করে গেছেন, আজও অপেক্ষায় আছেন “একটি সত্যিকারের মহান কাজের”।
গত বছরের কাজ নিয়ে তমা ভীষণ সন্তুষ্ট। ‘দাগি’-তে নিশোর সঙ্গে দ্বিতীয়বার কাজ করে যেমন ভালোবাসা পেয়েছেন, তেমনি ‘অমলনামা’-তে একজন মায়ের চরিত্রে নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে গড়েছেন। দুটি চরিত্রই ছিল সম্পূর্ণ আলাদা—আর সেটাই তাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছে।
ভালোবাসা প্রসঙ্গে তমার বিশ্বাস খুব পরিষ্কার—
যে ভালোবাসা মানসিক শান্তি দেয়, জীবনকে সুন্দর করে, সেটাই প্রয়োজন। যে ভালোবাসা শান্তি কেড়ে নেয়—তার কোনো দরকার নেই।
#তামা_মির্জা #ঢালিউড #বাংলা_সিনেমা #অনুপ্রেরণা


Comments
Post a Comment