ছেলের প্রশংসাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি: জাহিদ হাসান
বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান আবারও প্রমাণ করলেন, শক্তিশালী গল্প আর নিখুঁত অভিনয়ই দর্শকের হৃদয়ে সবচেয়ে গভীর ছাপ ফেলে। মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘পথহারা মন’ নাটকে বাবার চরিত্রে তার আবেগঘন অভিনয় দর্শকদের চোখে জল এনেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুড়িয়েছে ব্যাপক প্রশংসা।
নাটকটি মুক্তির পর দর্শক, সহকর্মী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে অসংখ্য শুভেচ্ছা পেয়েছেন জাহিদ হাসান। তবে সব প্রশংসার ভিড়ে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে তার একমাত্র ছেলে পূর্ণর প্রতিক্রিয়া।
অভিনেতার ভাষায়, “আমার ছেলে এসে বলল, ‘বাবা, সবাই তোমার অভিনয়ের প্রশংসা করছে। গল্প নিয়েও সবাই কথা বলছে। আমাকেও নাটকটা দেখতে হবে।’ এই কথাগুলো আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দের ছিল। তখনই মনে হয়েছে, ভালো কাজ কখনোই হারিয়ে যায় না—তা মানুষের কাছে পৌঁছায়।”
নাটকটির সফলতার পেছনে পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন জাহিদ হাসান। তিনি জানান, গল্প ও চরিত্র শুনেই রাজকে কথা দিয়েছিলেন যে তিনি এই কাজের সঙ্গে থাকবেন। তার বিশ্বাস, অর্থবহ গল্পই দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়, আর ‘পথহারা মন’ ঠিক সেই কাজটিই করেছে।
নাটকে নিজের চরিত্র নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জাহিদ হাসান বলেন, শুরুতে তার মনে হয়েছিল পর্দায় উপস্থিতি হয়তো খুব বেশি নয়। কিন্তু পরে উপলব্ধি করেন, পুরো গল্পের আবেগ এবং মূল শক্তিই আবর্তিত হয়েছে একজন বাবাকে ঘিরে। এই চরিত্রে অভিনয় করা তার জন্য ছিল ভীষণ তৃপ্তিদায়ক।
সহশিল্পীদের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন তিনি। টোটিনি, খায়রুল বাসার, দীপা, মনিরা মিঠু ও ডা. এজাজ—সবার অভিনয় নাটকটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, একটি নাটক কখনোই একজন অভিনেতার একার প্রচেষ্টায় সফল হয় না; বরং পুরো দলের সম্মিলিত কাজই একটি গল্পকে দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছে দেয়।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে দর্শকের ভালোবাসাকেই সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন জাহিদ হাসান। তার বিশ্বাস, ভালো গল্প, আন্তরিক অভিনয় এবং দর্শকের আবেগ—এই তিনের মিলনেই জন্ম নেয় এমন একটি নাটক, যা দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকে।
#ZahidHasan #PothoharaMon #BanglaDrama #Cinemawala

Comments
Post a Comment