২০২৬-এর পথে আশার গল্প: শিল্পীদের স্বপ্ন, সংকল্প আর নতুন শুরু
২০২৫ ছিল বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য একদিকে অর্জনের, অন্যদিকে আত্মপরীক্ষার বছর। নানা প্রতিকূলতা, সামাজিক অস্থিরতা ও ব্যক্তিগত লড়াইয়ের মাঝেও শিল্পীরা থেমে যাননি—বরং নতুন করে নিজেদের খুঁজে পেয়েছেন, ভেবেছেন ভবিষ্যৎ নিয়ে। বছর শেষে ২০২৬-কে সামনে রেখে অভিনেতা, নির্মাতা, সংগীতশিল্পী ও থিয়েটারকর্মীরা শেয়ার করেছেন তাঁদের আশা, পরিকল্পনা ও দায়বদ্ধতার কথা। জাহিদ হাসান শান্তি, নিরাপত্তা ও সুস্থতার আকাঙ্ক্ষা জানিয়েছেন—নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে এসেছে মানবিক উদ্বেগ আর প্রার্থনা। শিহাব শাহীন ‘দাগি’র মাধ্যমে ফিরে পেয়েছেন বিশ্বাস ও আত্মবিশ্বাস; সামনে রয়েছে নতুন সিরিজ ও চলচ্চিত্রের প্রস্তুতি। সদিয়া আয়মান ২০২৫-কে দেখছেন নিজের ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে—২০২৬-এ তাঁর লক্ষ্য ভারসাম্য, স্বাস্থ্য আর বাছাই করা কাজ। প্রিতম হাসানের জন্য বছরটি ছিল ক্যারিয়ার সেরা—আন্তর্জাতিক সফর, নতুন সাউন্ড আর সামনে দশ বছরের মাইলফলক। তাসনিয়া ফারিন অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনায় নিজের জায়গা তৈরি করতে চান আরও পরিকল্পিতভাবে। ক্বাজী নওশাবা আহমেদের ভাবনায় শিল্প মানেই আত্মা, সচেতনতা আর পরিবর্তনের হাতিয়ার—যা ছড়িয়ে দিতে চান দ...